
আমির হামজা,পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি: রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় সংস্কারের নামে অভিনব কায়দায় পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে। এতে করে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ করা হলেও খাজনা আদায় করা হচ্ছে ধানী জমি হিসেবে, ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ধানী জমির খাজনা প্রতি শতাংশ ২ টাকা হলেও বাণিজ্যিক পুকুরের ক্ষেত্রে পৌর এলাকায় ৪০ টাকা এবং ইউনিয়ন এলাকায় ৩০ টাকা নির্ধারিত। তবে এসব নিয়ম উপেক্ষা করে কম খাজনায় পুকুর পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, যাচাই-বাছাইয়ের আগেই পুকুর পুনঃসংস্কারের আবেদন দেখিয়ে খননকাজ শুরু করা হচ্ছে। উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের রাতোয়াল-মালিপাড়া ও বদোপাড়া বিলের মাঝখানে প্রায় ৩০ বিঘা জমিতে এমন খনন কার্যক্রম চলছিল।
খবর পেয়ে অভিযানে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত সালমান। তবে তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই খননকারীরা এক্সকাভেটর সরিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় একটি পুলিশ ফাঁড়ির সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ফলে প্রশাসনের অভিযানের আগেই সংশ্লিষ্টরা তথ্য পেয়ে সরে পড়ছে, যার কারণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।
এর আগে রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. নজরুল ইসলাম মন্ডল ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। কিছুদিন বন্ধ থাকার পর আবারও পুকুর খনন শুরু হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত সালমান জানান, শিলমাড়িয়া এলাকায় রাতে পুকুর খননের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযান চালানো হলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, “পুকুর খননের বিষয়ে প্রশাসন তৎপর রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
















