
নাসির বলেন, আমি একাই কর্ম করি। পুকুর পাহারা দিয়ে মাসে ৭ হাজার টাকা পাই। এখন হাসপাতালেই আমার কোনদিন ৭ হাজার, কোনো দিন ৫ হাজার বা কোনো দিন ৩ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। ডাক্তার, নার্স, আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী, বন্ধু-বান্ধবরা এতদিন ধরে সাহায্য করে আসছেন। মানুষের কাছে চেয়েচিন্তে চালানোর চেষ্টা করেছি।
তিনি বলেন, এখন আর পারছি না। টাকার অভাবে মনে হচ্ছে স্ত্রীকে আর বাঁচাতে পারব না। আমাকে কেউ যদি সহযোগিতা করেন, তাহলে খুব ভালো হয়। স্ত্রীর জীবনটা বাঁচাতে পারি।
ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, রাজেনার চিকিৎসায় যে খরচ হচ্ছে তা স্বামীর সামর্থ্যরে বাইরে। আমরাও সহযোগিতা করেছি, সিস্টাররা সহযোগিতা করেছেন। সমাজসেবা থেকে কিছু টাকার ব্যবস্থা করেছি। এখন আর উপায় পাওয়া যাচ্ছে না। অনেকেই তো উপযুক্ত মানুষকে সাহায্য করতে চান। এ রকম অসহায়দের সহযোগিতা করা দরকার।
















