
লাবিবা খানম লিছা: আগামী দু চার দিনের মধ্যে শুরু হবে মহাদেবপুরে বোর ধান মারাইয়ের ভরা মৌসম। বোর ধান ঘরে তোলা একটি বড় চ্যালেঞ্জ একজন কৃষকের জন্য। একদিন আগে যে কৃষক বোর ধান ঘরে তুলবে সে বাম্পার পেয়ে যাবে । পক্ষান্তরে ঐ কৃষকই যদি কালবৈশাখীর কবলে পড়ে একদিন পরে ধান ঘরে তুলতে চায় তাহলে তার হয়ে যায় সর্বনাশ। ঠিক লটারির মত। এজন্য সঠিক সময়ে প্রয়োজন পড়ে প্রথমত লোকবল , পরিবহনের জন্য পাওয়ার ট্রলি, নসিমন ,ভুটভুটি এবং মারাই মেশিন বঙ্গা বা পাওয়ার থ্রেসার। কৃষকের অতীব জরুরী এ সকল শ্যালো ইঞ্জিন চালিত যন্ত্রে সু- শৃংখল ভাবে তেল ব্যবস্থাপনার জন্য গত সপ্তাহ থেকে কাজ করতে ব্যস্ত সময় পার করছে মহাদেবপুর কৃষি অফিস। কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে এ বছর ২৮ হাজার ৪শ ৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্য মতে উপজেলার ১০ ইউনিয়নে কৃষকের ঘরে ধান মাড়াই এর জন্য বোঙ্গা বা পাওয়ার থ্রেসার মেশিনই রয়েছে ৯ শতাধিক তাছাড়াও পরিবহনের জন্য রয়েছে পাওয়ার ট্রলি, নসিমন এবং ভটভটি । উপজেলার দশ ইউনিয়ন ৩০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা থাকবার কথা থাকলেও আছে মাত্র ১৪ জন। ফলে, এই সংকটময় সময়ে মাঠ পর্যায়ে জরিপ করে প্রকৃত কৃষকের তালিকা তৈরি করে বোরো ধান মারাই কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রে সঠিকভাবে তেলের ব্যবস্থা করতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে মহাদেবপুর কৃষি অফিসের কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারী গন। উপজেলা কৃষি অফিসার হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদের সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি জানান এ পর্যন্ত ৪ শ ৫০ কৃষক আমাদের কাছে আবেদন নিয়ে এসেছে আমরা তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রতিদিনই ১৫ লিটার করে তেল উপজেলার আটটি পাম্প থেকে নিতে পারবে মারাই কাজ শুরু হলে । তিনি আরো বলেন মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক পরিশ্রম করছেন আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা , মৌসুম শুরুর আগেই আমরা কৃষি কাজে ব্যবহৃত মাড়াই মেশিন পাওয়ার থ্রেসার সহ ধান পরিবহনে নিয়োজিত অন্যান্য সকল পরিবহনে নিয়ম তান্ত্রিক ভাবে তেলের ব্যবস্থা করতে সক্ষম হব।














