
সরবরাহ কমার অজুহাতে দিনাজপুরের হিলিতে তিনদিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫০ টাকা বেড়েছে। তিনদিন আগেও প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও, এখন তা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে। আর নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা দরে।
চাহিদার তুলনায় সরবরাহ না থাকায় পেঁয়াজের দাম বাড়ছে বলে জানিয়েছে্ হিলি বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা। তাদের ভাষ্য, দেশীয় পেঁয়াজের মৌসুম শেষের দিকে হওয়ায় সরবরাহ কমে গেছে।
বাস্তবতা হচ্ছে ভোক্তার পকেট কেটে বাড়তি মুনাফা করা। আর অসাধুরা সেই ছক তৈরি করে অক্টোবর থেকে। এতে বাজারে পণ্যটি কিনতে এসে বিড়ম্বনায় পড়ছেন ক্রেতা। আর এই খেলার নীরব দর্শকের ভূমিকায় প্রশাসন।
বাজারসংশ্লিষ্টের মতে, প্রতিবছর এই সময় মুনাফালোভী অসাধু ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজের দাম বাড়াতে মরিয়া হয়ে ওঠে। এবারও তারা দাম বাড়াচ্ছে। গত মৌসুমে কৃষকরা ন্যায্য দাম না পেয়ে সব পেঁয়াজ বিক্রি করে ফেলেছেন। ফলে এখন তাদের কাছে পেঁয়াজ নেই। তা অসাধু মজুতদারদের দখলে। এই সুযোগে মজুতদাররা সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজ আটকে রেখে দাম বাড়াচ্ছে। একই সঙ্গে দাম বাড়ার অজুহাত তুলে ভারত থেকে আমদানির জন্য সরকারকে চাপ দিচ্ছে। তারা জানে সরকার মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেবে না। আর এই অজুহাত কাজে লাগিয়ে পেঁয়াজের দাম হুহু করে বাড়ানো হচ্ছে।
সরেজমিন জানা গেছে, তিনদিন আগেও মোকামে প্রতি মন পেঁয়াজ ৩ হাজার ২০০ থেকে ৩ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে সেটি এখন বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজার ৩০০ টাকায়। মণ প্রতি ১ হাজার টাকা বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি দামে পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে।
















