
স্টাফ রিপোর্টার: যুবদল থেকে বহিষ্কৃত এ এইচ এম শফিক মাহমুদ তন্ময় নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে “মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর শাহ ডাইনিংয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে তন্ময় বলেন, তিনি রাজশাহী মহানগর যুবদলের দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। তার ব্যবহৃত একটি জিপ গাড়ি নিয়ে একটি পক্ষ তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি জানান, গত ২৯ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে এফিডেভিট নম্বর ০০০০১০৪৭ এর মাধ্যমে জৈনক্য নুর আল আসাস (সুলতানাবাদ, বোয়ালিয়া, রাজশাহী) এর কাছ থেকে তিন লাখ ৫০ হাজার টাকায় গাড়িটি তিনি ক্রয় করেন। এর আগে গাড়িটি নুর আল আসাস ৫ মার্চ ২০২৪ তারিখে সৈয়দ জাফর মতিন (রাজিব) এর কাছ থেকে এবং সৈয়দ জাফর মতিন ৫ মে ২০২৩ তারিখে নুর আহমদের কাছ থেকে ক্রয় করেন বলে দলিলপত্রে উল্লেখ রয়েছে। ফলে আইনগতভাবে তিনিই বর্তমানে গাড়িটির বৈধ মালিক বলে দাবি করেন তন্ময়।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, নুর আহমদ অসৎ উদ্দেশ্যে তাকে আর্থিক, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য মিথ্যা মামলা ও অভিযোগ দায়ের করেছেন, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
সংবাদ সম্মেলনে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরে তন্ময় বলেন, গাড়ির ইলেকট্রিক ওয়্যারিংয়ের কাজ করার জন্য তিনি গাড়িটি নুর আহমদের গ্যারেজে দেন। তখন নুর আহমদ গাড়ির কাগজ আপডেট ও মালিকানা পরিবর্তনের জন্য তিন লাখ টাকা দাবি করেন। সরল বিশ্বাসে তিনি ধাপে ধাপে ওই টাকা পরিশোধ করেন এবং গাড়ির কাগজপত্রও তার কাছে জমা দেন।
কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও কাজ শেষ না হওয়ায় তিনি কাগজ ও টাকা ফেরত চান। একপর্যায়ে গাড়ি নিয়ে চলে আসেন। পরদিন গাড়ি পরীক্ষা করে তিনি দেখতে পান তার চারটি নতুন টায়ার পরিবর্তন করে পুরোনো টায়ার লাগানো হয়েছে এবং গাড়ির ভেতরের সাবউফার খুলে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি জানালে নুর আহমদ তা অস্বীকার করেন।
তন্ময়ের অভিযোগ, এসব ঘটনার পর নিজের দায় এড়াতে নুর আহমদ তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছেন।
তিনি বলেন, “আমি এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আপনারা সত্য উদঘাটনে সহযোগিতা করবেন এবং আমার বিরুদ্ধে আনা মিথ্যা অভিযোগের প্রকৃত তথ্য তুলে ধরবেন।”
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সাংবাদিকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।