
স্টাফ রিপোর্টার: অফিসারদের খরচা না দিলে খারিজ আবেদন বাতিল করে দিব বলে রাজশাহীর উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার ভূমি পবার নিকট মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করেছেন উপজেলার কাশিয়াডাংগা সেরেস্তার ইউনিয়ন ভূমি উপ সহকারী অফিসার আব্দুল গনি। দূর্ণীতি দমন কমিশন রাজশাহীর পরিচালক বরাবর লিখিত ঘুষ না দেয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত করার প্রতিকারে আবেদন অভিযোগ মতে আজ বুধবার জানা গেছে পবার সোনাইকান্দি এলাকার জনৈক এন্তাজুল ইসলাম গত বৃহস্পতিবার তার স্ত্রী নুরজাহানের নামে নাম জারীর আবেদন কুরেন।আবেদন নং ৮২৮৭৫৩৩। বিধি মোতাবেক উক্ত আবেদন কাশিয়াডাংগা ইউনিয়ন অফিসে পৌছলে সেখানকার দায়িত্বে নিয়োজিত অফিসার আব্দুল গনি অভিযোগকারীএন্তাজুল ইসলামের কাছে ৫০০০/=টাকা ঘুষ দাবী করেন। অফিসারদের খরচা না দিলে জমি খারিজতো হবেইনা আবেদনও বাতিল করে দিব।যেখান থেকে জমি কর্তন হবে সেখানে জমি নেই লিখে রিপোর্ট দিলে আবেদনও বাতিল হবে। তাতে আবেদন দাখিল খরচের টাকাও গচ্চা যাবে,জমিও আর পাবে না। অভিযোগ কারীর নিকট কয়েকশ টাকা থাকলেও তিনি ৫০০০ টাকা না দিতে পারায় পরদিন আসবো বলে বাড়ীতে চলে আসার পরদিন অনলাইনে দেখেন আব্দুল গনি সহকারী কমিশনার ভুমি পবার নিকট নাম খারিজের প্রস্তাব না দিয়ে জমি নেই মর্মে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। খোজ নিয়ে জানা গেছে আগত ৮৭৪ নং হোল্ডিং থেকে ৯ জন ব্যক্তির নাম খারিজ করে নেয়ার পরে. ৬৬২৬ একর আমি স্থিতি আছে।আব্দুল গনি উপজেলা ও জেলা অফিসের অফিসারদের নাম ভাংগিয়ে মাসে মাসে লাখ লাখ টাকা কামিয়ে নেন বলে অফিসে আসা ব্যক্তিরা জানায়। অভিযোগকারী এন্তাজুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান ঘুষখোর আব্দুল গনি বিরুদ্ধে অভিযোগ পর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ হলে ভুমি অফিসাররা ঘুষখোর বলে আব্দুল গনির প্রচারনা বন্ধ হবে এবং সাধারণ মানুষের অপুরনীয় ক্ষতি আর করবে না।
এ বিষয়ে পবা উপজেলার ইউএনও আরাফাত আমান আজিজকে সাংবাদিকরা অবহিত করলে তাৎক্ষনিক ভাবে তার হোয়াটস অ্যাপে অভিযোগ কারীর নাম খারিজ আবেদন নং দিতে বলেন বলে জানা গেছে।
















